ডিজিটাল সিস্টেম তৃণমূলে পৌঁছে গেছে
ডিজিটাল বাংলাদেশের গ্রামের মানুষকে শহরের সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করে দিতে বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট উৎক্ষেপন করা হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সমগ্র বাংলাদেশে আমরা ব্রডব্যান্ড চালু করে দিচ্ছি। ৪জি চালু করেছি। এখন হাতে হাতে মোবাইল ফোন। প্রান্তিক পর্যায়ে ডিজিটাল সেবা পৌঁছে দিতে দেশজুড়ে ৫ হাজার ৮০০ ডিজিটাল সেন্টার এবং ৮ হাজার পোস্ট অফিসকে ডিজিটাল সেন্টারে রূপান্তর করা হয়েছে। এসব সেন্টার থেকে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হওয়ার পাশাপাশি সেবাও মিলছে।
রোববার (২ ফেব্রুয়ারি) আইডিইবি'র ২৩তম জাতীয় সম্মেলন এবং ''Skills Readiness for Achieving SDGs and Adopting IR 4.0'' শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, প্রতিটি পোস্ট অফিস এখন ডিজিটাল সেন্টার হিসেবে কাজ করে। সেখান থেকে মানুষ আজ অনলাইনে কেনাবেচা করে। ব্যবসা-বাণিজ্য করে। এখান থেকে অনলাইনে চাকরির ফরম থেকে শুরু করে সব ধরনের সেবা পেতে পারে। অর্থাৎ ডিজিটাল সিস্টেম তৃণমূলে পৌঁছে গেছে।
তিনি আরো বলেন, আমরা ১৯৯৬ সালে ডিজিটাল বাংলাদেশ ঘোষণা দিয়ে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও কারিগরি শিক্ষায় সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলাম। বিশ্ব এখন প্রযুক্তি নির্ভর হওয়ায় এখন আমরা প্রযুক্তির ওপর সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা এখন টেকসই উন্নয়ন করছি। প্রজন্মের পর প্রজন্মের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করছি। ৪র্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় কারিগরি শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছি। দক্ষমানব সম্পদ গড়ে তুলতে আমরা কাজ করছি। প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে সমান তালে এগিয়ে চলার কাজ করছি।
শেখ হাসিনা বলেন, আমরা প্রতিটি উপজেলায় একটি করে টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ স্থাপনের পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই ১০০টি উপজেলায় টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে। যেখানে ৬,৪০০টি শিক্ষক-কর্মচারীর পদ সৃষ্টি হয়েছে। অবশিষ্ট ৩২৯টি উপজেলায় টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ স্থাপনের জন্য ২০ হাজার ৫২৫ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশের (আইডিইবি) সভাপতি প্রকৌশলী এ কে এম এ হামিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনি, শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।